০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রশিক্ষণে অংশ নিতে স্কুলে যাওয়ার কথা বলে ভারতে চলে যান দুই বোন নাজমা শাহীন ও লুতফা হাসীন রোজী।
মার্চ, ১৯৭১। পশ্চিম পাকিস্তানের সঙ্গে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক উত্তেজনা তখন চরমে। যেকোনো মুহূর্তে শুরু হতে পারে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ, সে আঁচ তখনও ততটা করতে পারেনি মুক্তিকামী মানুষ। তবে সে সময়েই সম্মুখ সমরে লড়ার প্রস্তুতি সারতে ছাত্রলীগের নেতৃত্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শুরু হয় প্রশিক্ষণ। অংশ নেন অনেক শিক্ষার্থী।
এক সময়ে মার্ক টালির নাম এ দেশের জনগণের মুখে মুখে ফিরত। গ্রামের কৃষক, বাজারের দোকানদার, স্কুলের শিক্ষক, নৌকার মাঝি, শহরের চাকরিজীবী, আর মুক্তিযোদ্ধারা তো বটেই—সবার কানের কাছে বাজত বিবিসি বাংলার অনুষ্ঠান।
১৯৭১ সালে বিবিসি রেডিওতে তার পরিবেশিত খবর ছিল মানুষের মুক্তিযুদ্ধের সংবাদ জানার প্রধান উৎস।
জোহা হলকে কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্প বানানো ছিল পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর একটি সচেতন রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত—শহীদ জোহার আত্মত্যাগ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে অপমান করার প্রয়াস।
জামায়াত প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “জোট পাকিয়ে রাস্তার মধ্যে আন্দোলন করছেন এবং ধমক দিচ্ছেন, ‘আজকেই হতে হবে, নাহলে আমরা নির্বাচন হতে দেব না’; মানুষকে বোকা ভাববেন না।”
চিত্রশিল্প কেবল নান্দনিকতার প্রকাশ নয়, এটি সমাজের নৈতিক ও সাংস্কৃতিক প্রতিচ্ছবি। কিন্তু সংবাদমাধ্যম যখন শিল্প থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়, তখন শিল্পীও অন্ধকারে থেকে যান—অচেনা, অনুলিখিত।
“এখন মাফ চাওয়ার পর কেউ কেউ বলেছেন, ‘এইভাবে চাইলে হবে না, ওইভাবে চাইতে হবে’। বিনা শর্তে মাফ চাইলাম, কোনো শর্ত দিলাম না, তার পরেও বাকি থাকল কোথায়, এটা তো বুঝি না,” বলেন তিনি।