০৫ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
২০২২ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে ঢাকার ছয়টি স্কুলের ৬ থেকে ১৪ বছর বয়সি ৪২০ শিশুর ওপর চালানো গবেষণায় এই তথ্য উঠে এসেছে।
শিশুদের অনলাইন নিরাপত্তা এখন বৈশ্বিক উদ্বেগের বিষয়। অস্ট্রিয়া ১৪ বছরের কম বয়সীদের সোশাল মিডিয়ায় নিষিদ্ধ করতে যাচ্ছে। আর ব্রিটেন বলছে, দুই বছরের নিচে কোনো স্ক্রিন নয়!
এক বছরের কম বয়সী শিশুকে ঘুম পাড়াতে মোবাইল ব্যবহার কতটা নিরাপদ? বিজ্ঞাপন কি শুধুই মধুর মুহূর্ত দেখাচ্ছে, নাকি এতে লুকিয়ে আছে শিশুদের ভবিষ্যৎ নিয়ে এক অশনি সংকেত?
আমরা কি এমন একটি সমাজ চাই, যেখানে তরুণরা বাস্তব বন্ধুত্বের উষ্ণতা ভুলে যাচ্ছে, যেখানে কথোপকথন নয়, রাজত্ব করে নিঃশব্দ স্ক্রলিং; সম্পর্ক নয়, গুরুত্ব পায় রিলসের অ্যাকশন ফ্রেম?
মামলায় আসামী হিসেবে গুগলের নামও রয়েছে। মামলায় দাবি করা হয়েছে, ‘ক্যারেক্টার এআই’ চ্যাটবটটির উন্নয়নে সহায়তা করেছে টেক জায়ান্ট গুগল।
একটা সময় জনপ্রিয় সোশাল মিডিয়া বলতে ছিল কেবল ফেইসবুক। তবে, এখন ফেইসবুক থেকে ইনস্টাগ্রাম, এক্স (পূর্বে টুইটার) থেকে থ্রেডস-এর মতো সোশাল মিডিয়া অ্যাপের লম্বা তালিকা রয়েছে।