১১ জুলাই ২০২৬, ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩
ক্যামেরাটি আকাশের প্রতিটি নির্দিষ্ট অংশের দিকে প্রায় ৮০০ বার তাকাবে, যাতে মহাকাশের যে কোনো পরিবর্তন বা মহাজাগতিক ঘটনা নিখুঁতভাবে রেকর্ড করা যায়।
এ ধরনের বস্তুর বিরল ও অজানা প্রকৃতির কারণে এমন অনুমান করা হচ্ছে, এগুলো ভিনগ্রহের উন্নত সভ্যতার পাঠানো কোনো মহাকাশযান হতে পারে।
সৌরজগৎ কোনো নির্দিষ্ট দিক দিয়ে চলতে থাকে তবে সেই দিকে সামান্য বেশি সংখ্যক রেডিও ছায়াপথ দেখতে পেতে পারি। বিষয়টি চলার সময় হালকা ‘বাতাসের প্রতিকূলতা’ অনুভবের মতোই।
১৯৭৭ সালের ৫ সেপ্টেম্বর ভয়েজার ১-কে মহাকাশে পাঠায় যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা, যার লক্ষ্য ছিল আমাদের সৌরজগতের বাইরের বিভিন্ন গ্রহ সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করা।
টেলিস্কোপটি মহাকাশে পাঠানোর পর সবাই খুব আশাবাদী হলেও কিছুদিনের মধ্যেই বিজ্ঞানীরা বুঝতে পারেন এর প্রধান ক্যামেরায় তোলা ছবি ঝাপসা আসছে।
সূর্যপৃষ্ঠ থেকে মাত্র ৩৮ লাখ মাইলের মধ্যে পৌঁছে সংকেত পাঠিয়েছে নাসার মহাকাশযান পার্কার সোলার প্রোব; এর মাধ্যমে সূর্য নিয়ে মানুষের গবেষণা আর বোঝাপড়ার নতুন দিগন্ত খুলল।
“গবেষণায় দেখা গেছে, মহাকাশে নিজেদের পাঠানো সংকেতের মতো একই ধরনের রেডিও সংকেত পাওয়ার খুব কাছাকাছি আমরা।”
আন্তঃনাক্ষত্রিক মেঘ বা ‘ইন্টারস্টেলার ক্লাউড’ গ্যাস ও ধূলিকণার এমন বিস্তীর্ণ অঞ্চল, যা কোনো ছায়াপথের ভেতরে বিভিন্ন তারার মাঝামাঝি থাকে।