০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
রাষ্ট্রীয় সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর অযাচিত নিয়ন্ত্রণ ও ব্যক্তিগত হস্তক্ষেপ সংস্কৃতিকে মূলধারার পরিবর্তে অতিরিক্ত দায়িত্বে পরিণত করতে চলেছে।
প্রথম পর্ব শেষ করে শুক্রবার থেকে শুরু হতে যাচ্ছে উৎসবের দ্বিতীয় পর্ব ‘উত্তাল তরঙ্গ’।
“শিল্পকলার কাজের ব্যাপ্তি সারা দেশে। এরকম একটা প্রতিষ্ঠান দীর্ঘ সময় মহাপরিচালকহীন থাকলে কাজ থেমে থাকবে,” বলছেন পরিষদের একজন সদস্য।
উল্টো সৈয়দ জামিলের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ বা প্রটোকল তোয়াক্কা না করার অভিযোগ তুলেছে মন্ত্রণালয়।
আলোকচিত্রী ও নাট্যকর্মী মারিয়াম রুপা বলেন, “গণ অভ্যুত্থানের পরে যদি আমলাতন্ত্রের পোষ্য হতে হয়, তাহলে এই বাংলাদেশ আমরা চাই না।”
অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ক্ষমতায় আসা সরকার নানাভাবে পুরনো ফ্যাসিবাদী কাঠামোর পথেই হাঁটছে। বাংলা একাডেমির সাহিত্য পুরস্কারে হস্তক্ষেপ, শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালকের কাজে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির অভিযোগ তারই উদাহরণ।
‘ভালো শিল্পী হওয়া আর আমলাতন্ত্রকে কনফিডেন্সে নিয়ে প্রতিষ্ঠান চালানো দুইটা দুইরকম আর্ট’ বলে মনে করেন সংস্কৃতি উপদেষ্টা।
“মন্ত্রণালয় থেকে শিল্পকলাকে অধীনস্ত করে রাখতে চায়। শিল্পকলা যে স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান- তারা সেটা মানতে চায় না,” অভিযোগ তার।