১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩
বাংলাদেশে রাজনৈতিক সংস্কৃতি বদলাতে চাইলে প্রতীক নয়, নীতি হতে হবে মূল ভিত্তি। মুক্তিযুদ্ধ বা অভ্যুত্থান—যে কোনো ঐতিহাসিক ঘটনাকে কেবল আবেগের প্রতীক হিসেবে নয় বরং রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংস্কারের বাস্তব এজেন্ডার সঙ্গে যুক্ত করতে হবে।
ছাত্রদল নেতা শাহরিয়ার আলম সাম্য হত্যার বিচার দাবিতে মঙ্গলবার আবারও শাহবাগ মোড় অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। বিচারে গাফিলতি হলে শুধু ঢাকা নয়, পুরো ‘বাংলাদেশ অচল’ করার হুমকি দেয় সংগঠনটির নেতারা।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শাহরিয়ার আলম সাম্য’র মৃত্যুতে পূর্ণদিবস ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন ও ধর্মঘট পালন হল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। বৃহস্পতিবার দুপুরে উপাচার্যের বাসভবনের সামনের সড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেছেন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এক ছাত্রদল নেতাকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ছুরি মেরে হত্যা করা হয়েছে। নিহত শাহরিয়ার আলম সাম্য শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের ছাত্র ছিলেন। স্যার এফ রহমান হল ছাত্রদলের সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক ছিলেন তিনি। তার মৃত্যুর পর ক্যাম্পাসে তীব্র প্রতিবাদ এবং বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়, শিক্ষার্থীরা হত্যার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন। এর ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
রাজনৈতিক দলগুলো এই সংস্কার প্রস্তাব গ্রহণ না করলে এটা হবে এক অর্থহীন বিনিয়োগ। সংস্কার বস্তুটি ‘তিক্ত ওষুধ’ নয়, যা অনিচ্ছা সত্ত্বেও, প্রাণের দায়ে, গলাধঃকরণ করতেই হয়।
সব মানুষ মুক্ত বাংলাদেশে বুকে চিতিয়ে চলবে। মোটামুটিভাবে এটাই ছিল স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশের বৃহত্তম জনগোষ্ঠীর এক অতি সাধারণ আকাঙ্ক্ষা। কিন্তু তাদের এই সামান্যতম আকাঙ্ক্ষাকেও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ঠিকঠাক মতো অনুবাদ করতে পারেননি।