০৪ এপ্রিল ২০২৫, ২০ চৈত্র ১৪৩১
উপ সচিব মোহাম্মদ আবদুল ছালাম বলছেন, কাকরাইল মসজিদের ক্ষেত্রে যে বিধিনিষেধ দেওয়া হয়েছিল, তা প্রত্যাহার হয়নি।
“যতোক্ষণ পর্যন্ত খুনিদের গ্রেপ্তার করা না হবে, সাদপন্থিদের নিষিদ্ধ করা না হবে এবং কাকরাইল ও বিশ্ব ইজতেমার মাঠের কার্যক্রম ‘শুরায়ে নিজামের’ তত্ত্বাবধানে পরিচালনা রাষ্ট্রীয়ভাবে নিশ্চিত করা হবে- ততোক্ষণ পর্যন্ত এই অবস্থান কর্মসূচি চলবে।"
তবে মাঠ দখলকে কেন্দ্র দুপক্ষের অনুসারীদের সংঘর্ষ ও হতাহতের ঘটনায় এখনো কোনো মামলা হয়নি।
সাদপন্থিদের ইজতেমায় সহযোগিতা করলে সরকারকে ‘বোঝানোর চেষ্টা করা হবে’ মন্তব্য করে মামুনুল বলেন, “আশা করি সরকার এ ধরনের ভুল করবে না।”
জোড় ইজতেমা পালন করা নিয়ে বিরোধে জের ধরে সংঘর্ষে জড়ায় দুই পক্ষ।
বুধবার দুপুর ২টা থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে।
“সরকারি সিদ্ধান্ত আমরা মেনে নিয়েছি, উনারাও যেন ইসলামের স্বার্থে, দেশের স্বার্থে কোনো রকম সমস্যার চেষ্টা না করেন,” বলেন সাদপন্থিদের একজন মুরুব্বি।
কয়েক বছর ধরে তাবলিগ জামাতের মধ্যে যে বিবাদ চলছে সম্প্রতি তা নতুন রূপ পেয়েছে।