০৫ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
“কিউআর বা এয়ার কোডের মাধ্যমে ভোক্তারা নিজেই যাচাই করতে পারবেন, এর থেকে সরকার কর বা রাজস্ব পেয়েছে কিনা।”
এজন্য নিম্ন স্তর এবং মধ্যম স্তরকে এক করে ১০ শলাকার মূল্য ১০০ টাকা নির্ধারণের দাবি জানিয়েছে ‘প্রজ্ঞা’ ও ‘আত্মা’।
“এটা যে চট করে নির্বাচনের তিন দিন আগে করা হয়েছে, সেটা ঠিক নয়,” বলেন খলিলুর রহমান।
“নয় মাসের ধারাবাহিক আলোচনা ও দর কষাকষির মাধ্যমে বাংলাদেশ শুল্ক হার ১৯ শতাংশে নামাতে সক্ষম হয়,” বলা হয় বিজ্ঞপ্তিতে।
পরবর্তী সরকার চাইলে এ চুক্তি থেকে বেরিয়ে আসতে পারবে, সেই সুযোগ রাখা হয়েছে বলে উপদেষ্টা জানিয়েছেন।
এখন সব মিলিয়ে বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে পণ্য রপ্তানিতে শুল্ক গুনতে হবে ৩৪ শতাংশ।
“আমরা আশা করছি, এই সপ্তাহের শেষ দিকে বা আগামী সপ্তাহে বিষয়টি স্পষ্ট হবে,” বলেন বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী।
উপদেষ্টা বলেন, “নিজস্ব অর্থনীতির সক্ষমতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে–এমন কোনো ইস্যুতে আমরা কোনো কিছু করিনি।”