০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
“জুনাইদ আহমেদ পলক আমাকে ফোন করেন এবং বিটিআরসির নির্দেশনা কেন প্রতিপালন করছি না, তা জানতে চান,” বলেন কামাল আহমেদ।
অপারেটরদের মাধ্যমে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়া হয়, বলেছেন তিনি।
“সিদ্ধান্ত হয় ইন্টারনেট বন্ধ করে যোগাগোদ বিচ্ছিন্ন করা, হেলিকপ্টার থেকে গুলি বর্ষণের এবং গ্রেপ্তার ও নির্যাতনের মাধ্যমে আন্দোলনকারীদের নির্মূল করার।”
“আমি সবসময়ই উন্মুক্ত। আমি এমন একজন মানুষ, যে সবসময় আলোচনায় বিশ্বাস করে—তা যত কঠিনই হোক বা যার সঙ্গেই হোক। এটাই আমার কৌশল; জীবনে সবসময়ই এভাবেই চলেছি।”
“আওয়ামী লীগ একটি রাজনৈতিক দল। এটা সবচেয়ে পুরনো দল। ৭০ বছর ধরে আছে। তাকে সঙ্গে নিয়ে অথবা তাকে ছাড়াই এ দল চলবে। তিনি… কেউ তো চিরদিন বাঁচে না।”
জুলাই অভ্যুত্থানের সময় ইন্টারনেট বন্ধ রেখে ব্যাপক হত্যায় ‘উসকানি, প্ররোচনা ও সহায়তা করার’ অভিযোগ আনা হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।
শুনানিতে প্রসিকিউশনের আনা তিনটি অভিযোগের বিরোধিতা করেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা।
“তারা পালায়ে আছে, পালায়ে ওখান থেকে বলতেছে। তাদেরটায় কেউ শঙ্কিত হবে নাকি,” বলেন তিনি।