০২ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩
নারী ও সংখ্যালঘু ভোটারের অনাস্থা, নেতৃত্ব ও সংগঠনের দুর্বলতা, মুক্তিযুদ্ধ প্রসঙ্গে অস্বস্তি, ডিজিটাল বিভ্রম এবং তরুণদের মনোভাব—সব মিলিয়েই জামায়াতের রাজনৈতিক সম্ভাবনা সীমিত হয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অর্থনৈতিক স্থবিরতা কাটানো, আন্তর্জাতিক মহলে ভারসাম্য বজায় রাখা এবং সংখ্যালঘু ও নারী ভোটারদের আস্থা রক্ষা—প্রতিটি পদক্ষেপই হবে বিএনপির জন্য একেকটি পরীক্ষা।
এই নির্বাচন বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিসরকে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করবে। সংখ্যালঘু ও প্রগতিশীল নাগরিকদের নিরাপত্তা ও অংশগ্রহণ কতটা নিশ্চিত হবে—এটাই দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে।
মুর্শিদাবাদ থেকে শুরু হওয়া বিদ্রোহ কি তৃণমূলের শক্ত ভিত নড়িয়ে দিচ্ছে? অবশ্য হুমায়ুন কবিরের নতুন রাজনৈতিক প্রকল্পের প্রভাব শুধু পশ্চিমবঙ্গে নয়, ছায়া ফেলতে পারে বাংলাদেশেও।