১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩
মেয়ে শর্মিষ্ঠা রহমান বলেন, “আমি এবং আমার মা প্রতিদিন উনার কাছ থেকে এই কথাটা শুনতাম–কেউ কাছে আসে না, কেউ তাকে ভালোবাসে না।”
লাকী ইনাম বলেন, “আমরা আপনাকে ভুলবো না। আপনি আমাদের হৃদয়ে সবসময়ের জন্য থাকবেন।”
শেষ শ্রদ্ধা জানাতে শনিবার সকালে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আনা হয় ভাষা সংগ্রামী আহমদ রফিকের মরদেহ। সেখানে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাতে আসেন সমাজের বিভিন্ন অঙ্গনের মানুষ। তারা বলেছেন, আহমদ রফিক বেঁচে থাকবেন তার কর্মে।
আহমদ রফিকের শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী মরদেহ বারডেম হাসপাতালে দান করা হয়েছে।
মেডিকেল শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ ও গবেষণার জন্য আহমদ রফিক মরণোত্তর দেহ দান করে গেছেন।
চন্দনকাঠ দিয়ে তৈরি করা হয় জুবিন গার্গের অন্তিম শয্যা। স্বামীর শেষযাত্রায় একমুহূর্তও পাশ থেকে সরেননি স্ত্রী গরিমা সাইকার গার্গ।
এই শোক শুধু পথেই সীমাবদ্ধ ছিল না; প্রতিটি ছাদ, বারান্দা, এমনকি রাস্তার ডিভাইডারেও মানুষ অপেক্ষা করছিলেন শিল্পীর শেষ যাত্রা দেখার জন্য।