২৪ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
শুল্ক ফাঁকি দিয়ে এসব মূল্যবান পণ্য ভারত থেকে বাংলাদেশে পাচারের চেষ্টা করা হচ্ছিল বলে জানায় বিজিবি।
৯ কোটি টাকা শুল্ক ফাঁকির চেষ্টা করেছে আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান, বলেছে কাস্টমস।
গাড়ির প্রকৃত মালিক এটি আমদানি করতে ১০ কোটি টাকার মত শুল্ক ফাঁকি দিয়েছেন বলে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের ধারণা।
কর ‘ফাঁকির’ বিপুল এ অর্থ পিডিবির কাছ থেকে আদায়ের সুপারিশ করেছে দেশের প্রধান রাজস্ব আদায়কারী সংস্থার একটি তদন্ত কমিটি।