০৪ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
খাবারের প্রলোভন দিয়ে কুমিরটিকে বেঁধে ফেলা হয়। পরে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে প্রাণিটিকে দিঘি থেকে তুলে গাড়িতে ওঠানো হয়।
এ নিয়ে হাসপাতালটিতে হাম বা হামের উপসর্গ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৫।
“মাজার দিঘিতে কুমিরের জন্য একটি সুরক্ষিত স্থাপনা নির্মাণ করে ও কুমির বিশেষজ্ঞদের পরামর্শে কুমিরটিকে ভবিষ্যতে ফিরিয়ে নিয়ে আসব।”
এ নিয়ে হামের উপসর্গ নিয়ে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত শিশুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০ জনে।
শিশুটি গোসল করতে অথবা হাত-পা ধুতে দিঘির ঘাটে নেমেছিল। তখন দিঘির পানিতে লুকিয়ে থাকা কুমির তার উপর আক্রমণ করে টেনে নিয়ে যায়।
এনিয়ে জেলায় হামের উপসর্গ নিয়ে দুই শিশুর মৃত্যু হলো।
সিভিল সার্জন মাহমুদুল হাসান বলেন, “বিভিন্ন জায়গা থেকে শিশুরা ঈদের ছুটিতে গ্রামে আসায় হয়তো হামের আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে।”
এ নিয়ে বিভাগে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬০ জনে।