২৪ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
“সাধারণত দেখা যায় যে, সকাল ৯টা থেকে দুপুর ৩টা এই সময়টাতে পানিতে ডুবে শিশু মৃত্যুর ঘটনা বেশি ঘটে।”
তারা সম্পর্কে চাচাতো বোন।
শুক্রবার সকালেই তুহিনের দাফন সম্পন্ন হয় আর দুপুরে ছোট ছেলে তুষারও অসুস্থ হয়ে পড়ে।
এ নিয়ে চলমান দুর্যোগে জেলায় বন্যা ও পাহাড় ধসে প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৮ জনে।
পরিবারের সদস্যদের অগোচরে শিশুটি বাড়ি থেকে বের হয়েছিল।
পুরো উপজেলার এলাকা বিভিন্ন পানিতে ডুবে আছে।
সিলেট বিভাগে এ রোগে বা রোগের উপসর্গ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৮৯ জনে দাঁড়াল।
এ নিয়ে বিভাগে এ রোগ বা রোগের উপসর্গ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৮৩ জনে দাঁড়াল।