০৭ জুন ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
এই মিশনে মহাকাশে মানুষের সবচেয়ে বেশি দূরত্বে ভ্রমণের নতুন রেকর্ড গড়েছেন চার নভোচারী; চাঁদের সেই অংশ দেখেছেন, যা আগে কখনো কোনো মানুষ দেখেনি।
এর আগে এ রেকর্ডটি ছিল ১৯৭০ সালের অ্যাপোলো ১৩ মিশনের নভোচারীদের দখলে। তারা পৃথিবী থেকে ২ লাখ ৪৮ হাজার ৬৫৫ মাইল দূরত্ব পেরিয়েছিলেন।
পৃথিবী থেকে প্রায় আড়াই লাখ মাইল দূর থেকে ডেটা, ভয়েস ও ফোরকে ভিডিও পাঠানোর জন্য হাই-স্পিড লেজার কমিউনিকেশন ও রেডিও-ফ্রিকোয়েন্সি সিস্টেমের সমন্বয় ব্যবহার করছে আর্টেমিস টু।
২ মিলিমিটার পুরুত্বের ছোট এ কাঁচের টুকরোয় ৪.৮৪ টেরাবাইট তথ্য জমা রাখা সম্ভব, যা প্রায় ২০ লাখ বই বা ৫ হাজারটি ফোরকে মুভির সমান।
তাত্ত্বিকভাবে এমন এক সাধারণ ক্যামেরা তৈরি সম্ভব হলেও হেডেট বলেছেন, সাধারণ মানুষের গ্যারাজে থাকা বিভিন্ন সরঞ্জাম দিয়ে তা তৈরি করা সম্ভব নয়।
অনেকের ধারণা, অক্সিজেন না থাকায় বন্দুক মহাকাশে ছোঁড়া যাবে না, এমনটি সত্য নয়। গুলি বা বুলেটের নিজস্ব অক্সিডাইজার থাকে, যা মহাকাশ বা পানির তলায়ও ছোঁড়া যেতে পারে।
বিজ্ঞানীরা এই প্রযুক্তির অনুপ্রেরণা পেয়েছেন সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় গাছ এবং ব্যাকটেরিয়ার মাধ্যমে আলোকে রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তর থেকে।
বন উজাড়ের অবস্থা জানতে হয়েছিল একটি জরিপ। সেই ডেটা নতুন করে বিশ্লেষণ করতে গিয়েই ভোজবাজির মতো উঠে এসেছে পুরোদস্তুর এক নগরের চেহারা।