২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩
শেরপুরের ‘পৌনে তিন আনী জমিদারের’ প্রশাসনিক ভবন হিসেবে এটি নির্মাণ করা হয়েছিল।
অধিকাংশ উপজেলায় সমৃদ্ধ লাইব্রেরি নেই, কিন্তু রয়েছে বড় বড় মোবাইলের দোকান, রাজনৈতিক আড্ডা, তরুণদের জটলা।
পাঠাগার প্রতিষ্ঠায় আদি থেকে যেমন একদল নিরলস পরিশ্রমী মানুষ কাজ করে গেছেন, তেমনি অন্য আরেকদল মানুষ পাঠাগারের দরজায় তালা ঝোলাতেও সংঘবদ্ধ হয়েছেন।
এবছর ২৫ জেলার ৩৯৩টির বেশি গ্রন্থাগারে লাখো বই দেওয়া হবে বলে তথ্য দিয়েছে কোম্পানিটি।
“এডুকেশনের সঙ্গে ইন্ডাস্ট্রি ও ইকোনমির মাধ্যমে আমরা এমপ্লয়মেন্টের দিকে যাব,” বলেন তিনি।