২৪ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
এই অর্থ পেলে রোহিঙ্গা শরণার্থী এবং বাংলাদেশি স্থানীয় জনগোষ্ঠীসহ প্রায় ১৫ লাখ ৬০ হাজার মানুষের কাছে সহায়তা পৌঁছানো যাবে।
“আমাদের মনে রাখতে হবে যে, রোহিঙ্গা সংকট কোনোভাবেই মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশের কোনো দ্বিপাক্ষিক বিষয় নয়।”
গুতেরেস বলেছেন, রোহিঙ্গা সংকটের কারণে বাংলাদেশ এবং এ অঞ্চলের ওপর পড়া প্রভাব, রাখাইনে ক্রমবর্ধমান মানবিক সংকট নিয়ে তিনি বাংলাদেশের সরকারপ্রধানের উদ্বেগের সঙ্গে একমত।
জাতিসংঘের মহাসচিব গুতেরেস এর আগে ২০১৮ সালের জুলাই মাসে বাংলাদেশে এসেছিলেন।
মিয়ানমারে শান্তি, নিরাপত্তা ও গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠায় সক্রিয় ভূমিকা রাখতে আসিয়ান ও অন্যান্য আঞ্চলিক অংশীদার রাষ্ট্রগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
আশ্রয় শিবিরে থাকা রোহিঙ্গাদের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আরো বেশি কিছু করা উচিত বলে মন্তব্য করেন ফিলিপ্পো গ্র্যান্ডি।
মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাই কমিশনার এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়া।