০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান নাজুক যুদ্ধবিরতির মধ্যে বুধবার এ হামলা ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটল।
রাফা সীমান্ত আপাতত প্রতিদিন ছয় ঘণ্টা করে খোলা থাকবে বলে জানা গেছে। এ ক্রসিং দিয়ে প্রতিদিন গাজা থেকে বের হতে পারবে সর্বোচ্চ দেড়শ জন, ঢুকতে পারবে জনা পঞ্চাশেক।
আপাতত প্রতিদিন এ ক্রসিং দিয়ে দেড়শ জন গাজা ছাড়তে পারবেন, ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডটিতে ফিরতে পারবেন ৫০ জনের মতো, জানিয়েছে ইসরায়েলি গণমাধ্যম।
গাজায় যুদ্ধ বন্ধে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত শান্তি পরিকল্পনার প্রাথমিক ধাপের অন্যতম প্রধান শর্ত ছিল সব জিম্মিকে ফিরিয়ে দেওয়া।
ইসরায়েল বলছে, সব জিম্মির মৃতদেহ ফিরে পেলেই গাজায় মিশর সীমান্তবর্তী রাফা ক্রসিং খুলে দেওয়া হবে।
আরও দুই জিম্মির মরদেহ পাওয়ার কথা জানিয়েছে ইসরায়েল। এ নিয়ে হামাসের হাতে থাকা ২৮ মৃত জিম্মির ১২ জনের মরদেহ ফেরত পেল তারা।
এ নিয়ে ৮ জিম্মির মরদেহ ফেরত দেওয়া হল। গাজায় এখনও আরও প্রায় ২০ জিম্মির মরদেহ রয়েছে।
ফিলিস্তিনি রোগীদের ৫০ জনের একটি দল ও তাদের দেখভালকারী আরও ৬১ জন রাফা সীমান্ত পার হয়ে মিশরে গিয়েছেন।