০৫ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
অনুষ্ঠানে ছিল একক, দ্বৈত এবং সমবেত কণ্ঠে রবীন্দ্রনাথের পূজা, প্রেম ও প্রকৃতি পর্যায়ের বিভিন্ন গান।
এবারের রবীন্দ্র উৎসব শুধুমাত্র সাংস্কৃতিক উদযাপনে সীমাবদ্ধ না বরং বিশ্বজুড়ে চলমান মানবিক বিপর্যয়ের প্রেক্ষাপটে শান্তি প্রতিষ্ঠার আহ্বান ছায়ানটের সভাপতি সারওয়ার আলীর।
চার দিনের উৎসব আয়োজন করেছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি। পাশাপাশি ছায়ানট, বাংলাদেশ রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী সংস্থা, বাংলা একাডেমিসহ বিভিন্ন সংগঠন বিশেষ আয়োজন করেছে।
গানটি জয়িতার ফেইসবুক পেইজে প্রচার হয়েছে গানটি।
রবীন্দ্রনাথকে একজন ‘বিশুদ্ধ উদারনৈতিক মানবতাবাদী’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক।
তারেক রহমান বলেন, ‘‘আমাদের জাতীয় জীবনের সকল ক্ষেত্রে বিশ্বকবির অবদান নিঃসন্দেহে অনস্বীকার্য।”
কবির স্মৃতি বিজড়িত নওগাঁর পতিসর, সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর, খুলনার দক্ষিণডিহি ও পিঠাভোগে রবীন্দ্রমেলা, রবীন্দ্রবিষয়ক আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে জন্মবার্ষিকী উদ্যাপিত হবে।