০৬ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
তিনি যেমন সাহিত্যে নন্দনতত্ত্বের আলো ছড়িয়েছেন, তেমনি অন্যায়ের বিরুদ্ধে কলম ধরেছেন নির্ভীকভাবে। তার মৃত্যু শুধু একজন লেখকের প্রস্থান নয়—এ যেন চিন্তা, প্রজ্ঞা ও সংবেদনশীলতার এক যুগের অবসান।
“দুই গুণীজনের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতেই এ আয়োজন।”
“আজ তার মৃত্যুতে আমরা শুধু একজন ব্যক্তিকে হারাইনি, হারিয়েছি এক আদর্শকে, এক দর্শনকে, এক অনুপ্রেরণাকে,” বলেন বিধান রঞ্জন।
সাহিত্যিক-শিক্ষাবিদ যতীন সরকারের মৃত্যুর পর অনেকটাই বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন তার স্ত্রী কানন আইচ। নেত্রকোণায় ‘বানপ্রস্থে’ গণমাধ্যমের সামনে কথা বলতে গিয়ে তিনি বারবার খেই হারিয়ে ফেলছিলেন।
বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও প্রাবন্ধিক অধ্যাপক যতীন সরকার মারা গেছেন। তিনি বার্ধক্যজনিত নানা রোগে ভুগছিলেন। বুধবার বেলা পৌনে ৩টার দিকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
যতীন সরকার বুধবার বিকাল পৌনে ৩টায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
তার লেখায় পুরান আর দর্শন মিলে মিশে গেছে, রবীন্দ্র-নজরুলের মানবতাবাদ আর মার্কসবাদকে তিনি মিলিয়েছেন লৌকিক জীবনের সঙ্গে। তার রচনায় রাজনীতি-অর্থনীতি সম্পর্কে বিশ্লেষণ যেমন আছে, তেমনি আছে বিস্মৃতপ্রায় সাহিত্যকে নতুন করে উপস্থাপনের সফল প্রচেষ্টা।