০৫ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
১৯৯৯ থেকে ২০০৫ সালের মধ্যে পৃথিবীর চৌম্বকীয় উত্তর মেরুর সরে যাওয়ার গতি বছরে সর্বোচ্চ ৯ মাইল থেকে বেড়ে এক লাফে বছরে ৩৭ মাইলে পৌঁছেছে।
কার্বন যখন পৃথিবীর পৃষ্ঠ থেকে ২৫০-৬৬০ কিলোমিটার গভীরে পৌঁছায় তখন এর সঙ্গে ঠিক কী ঘটে তা বুঝতে উচ্চ চাপের পরীক্ষা চালিয়েছেন গবেষকরা।
এসব আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত স্বাভাবিক নিয়ম অনুসরণ করে না, কারণ বেশিরভাগ আগ্নেয়গিরির কার্যকলাপ পৃথিবীর টেকটোনিক প্লেটের সীমানা বরাবর ঘটে।
বেশিরভাগ সময়ই পৃথিবীর সাবডাকশন জোনে মেলে জমে থাকা সোনা, এ জোনে একটি টেকটোনিক প্লেট অন্য আরেকটি প্লেটের নীচে থাকে।
ইস্টার দ্বীপের নীচে থাকা সামুদ্রিক প্লেটটিও এত পুরোনো নয়। ফলে, ওই দ্বীপে এমন আদিম খনিজ কীভাবে এল, সেটাই বড় প্রশ্ন।
ম্যান্টলের বিভিন্ন প্লামের মূল হতে পারে এইসব অঞ্চল, যা এই বড় আকারের ও নাছোড়বান্দা প্রকৃতির আগ্নেয়গিরি তৈরি করে।