১২ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩
মঙ্গলের অভ্যন্তরে ‘বড় ও লুকিয়ে থাকা ম্যাগমা বা গলিত লাভা ব্যবস্থা’ রয়েছে, যা ভিনগ্রহের প্রাণের সন্ধানে এক বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।
প্রচলিত ধারণা, কোনো আগ্নেয়গিরি ১০ হাজার বছর ধরে অগ্নুৎপাত না করলে একে ‘বিলুপ্ত’ বলা যায়। তবে পুনরায় জেগে ওঠার আগে ১ লাখ বছরেরও বেশি সময় ধরে সুপ্ত অবস্থায় থাকতে পারে।
ম্যাগমা মহাসাগর থাকার কারণেই গ্রহটি এর হাইড্রোজেনওয়ালা বায়ুমণ্ডল ও হাইড্রোজেন সালফাইডের মতো সালফাওয়ালা বিভিন্ন গ্যাসকে ধরে রাখতে পারছে।
বেশিরভাগ সময়ই পৃথিবীর সাবডাকশন জোনে মেলে জমে থাকা সোনা, এ জোনে একটি টেকটোনিক প্লেট অন্য আরেকটি প্লেটের নীচে থাকে।
মানুষকে মঙ্গল গ্রহে পৌঁছাতে সহায়তা করার জন্য চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে ঘাঁটি নির্মাণের পরিকল্পনা করেছে নাসা।
দুই বছর ধরে বিভিন্ন এক্সোপ্ল্যানেট পর্যবেক্ষণ করছে জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ, যা এরইমধ্যে বিজ্ঞানীদের এ সংশ্লিষ্ট ধারণা খতিয়ে দেখতে সহায়তা করছে।
২০২৩ সালের অগাস্টে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে অবতরণ করা ভারতের ঐতিহাসিক ‘চন্দ্রযান-৩’ মিশন থেকে চাঁদের মাটিতে সমুদ্রের অবশিষ্টাংশের সন্ধান মেলে।
আর্কিয়ান যুগের জিরকন নামের বিরল প্রকৃতির খনিজের মিশ্রণ কেবল ‘সাবডাকশন’ নামের প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই তৈরি হতে পারে।