১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
বিজ্ঞানীদের কাছে ‘কোয়াসি-মুন’ বা আধা-উপগ্রহ হিসেবে পরিচিত এ গ্রহাণুটি থেকে নমুনা সংগ্রহের লক্ষ্যে সফলভাবে এর কক্ষপথে পৌঁছল চীনের মহাকাশযান।
ইতিহাসের প্রথম ও একমাত্র মহাকাশযান হিসেবে ২০১৫ সালে দূরবর্তী গ্রহ প্লুটোর বুক ছুঁয়ে গিয়েছিল নাসা’র এ সাহসী প্রোব ‘নিউ হরাইজনস’।
এক হাজার ৩০০ কোটি বছরের পুরানো সুপারনোভা আবিষ্কারের নেপথ্য টেলিস্কোপটিকে টেনে নিরাপদ কক্ষপথে ফিরিয়ে নেওয়াই এ উদ্ধার অভিযানের মূল লক্ষ্য।
মহাকাশযানটির মূল বৈজ্ঞানিক গবেষণার মেয়াদ কেবল এক বছর নির্ধারিত হলেও মহাকাশযান মঙ্গলের কক্ষপথে ১১ বছরেরও বেশি সময় ধরে নিয়মিত পৃথিবীতে তথ্য পাঠিয়েছে।
নাসার প্রকাশ করা এসব ছবিতে মঙ্গলের বড় আকারের গিরিখাত, দক্ষিণ মেরুর বরফ ও এক মনোহর অর্ধচন্দ্রাকৃতির রূপ ফুটে উঠেছে।
এ নতুন রকেটটি এর আগের বিভিন্ন সংস্করণকে ছাড়িয়ে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ও শক্তিশালী রকেটের খেতাব কেড়ে নিয়েছে।
মঙ্গল গ্রহের মহাকর্ষীয় শক্তি বা টানকে কাজে লাগিয়ে নিজের গতি বাড়াতে ও চূড়ান্ত কক্ষপথে প্রবেশ করতেই মহাকাশযানটির এই নিখুঁত পরিকল্পনা।
বর্তমানে পৃথিবী থেকে ২ হাজার ৫০০ কোটি কিলোমিটারেরও বেশি দূরে রয়েছে ভয়েজার ১, যা এখন মানুষের তৈরি বিশ্বের সবচেয়ে দূরবর্তী বস্তু।