২৫ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
টাইমল্যাপস ভিডিওটি পুরো অভিযানটির রোমাঞ্চকর রূপ তুলে ধরেছে নাসা, যেখানে মঙ্গলের কাছাকাছি যাওয়ার মুহূর্তে গ্রহটিকে বাঁকা চাঁদের মতো দেখাচ্ছিল।
নতুন মহাকাশযানটি মঙ্গলে চারটি বৈজ্ঞানিক যন্ত্র বহন করে নিয়ে যাবে, যা মঙ্গলের বাতাস, তাপমাত্রা, ধূলিকণা ও মেঘের সমন্বিত চিত্র প্রথমবারের মতো বিজ্ঞানীদের সামনে তুলে ধরবে।
এ নতুন রকেটটি এর আগের বিভিন্ন সংস্করণকে ছাড়িয়ে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ও শক্তিশালী রকেটের খেতাব কেড়ে নিয়েছে।
গত পাঁচ বছর ধরে নাসা’র পার্সিভ্যারেন্স রোভার মঙ্গল গ্রহের ‘জেজেরো ক্রেটার’ নামের এক এলাকায় গবেষণা চালিয়ে আসছে।
মঙ্গল গ্রহের মহাকর্ষীয় শক্তি বা টানকে কাজে লাগিয়ে নিজের গতি বাড়াতে ও চূড়ান্ত কক্ষপথে প্রবেশ করতেই মহাকাশযানটির এই নিখুঁত পরিকল্পনা।
মহাকাশ গবেষণায় দুঃসাহসিক ঝুঁকি নিয়ে প্রচলিত যুক্তিকে চ্যালেঞ্জ করার যে দীর্ঘ প্রচেষ্টা মাস্ক চালিয়েছেন তার প্রতিফলন ঘটতে যাচ্ছে এ বছরেই।
এ প্রযুক্তির সফল ব্যবহারে মঙ্গলে কেবল কয়েক সপ্তাহে পৌঁছানো যাবে, যা ভবিষ্যতের মহাকাশ ভ্রমণ ও অর্থনীতিতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে পারে।
প্লাজমা রকেটের এই দৌড়ে সবশেষ সংযোজন হচ্ছে রাশিয়ার এ প্লাজমা ইঞ্জিনটি, যা পারমাণবিক শক্তি ও কোয়ান্টাম কম্পিউটার বা উইন্ড টারবাইন তৈরির মতো উন্নত প্রযুক্তিতে পারদর্শী।