০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
নাসার প্রকাশ করা এসব ছবিতে মঙ্গলের বড় আকারের গিরিখাত, দক্ষিণ মেরুর বরফ ও এক মনোহর অর্ধচন্দ্রাকৃতির রূপ ফুটে উঠেছে।
এ নথিতে কোম্পানির পরিচালনা খরচ ও আয়ের নতুন হিসাবের পাশাপাশি, মহাবিশ্ব নিয়ে মাস্কের স্বভাবসুলভ কিছু বড় ঘোষণা এবং তার প্রযুক্তি সাম্রাজ্যের ভেতরের অদ্ভুত কিছু দিকও ফুটে উঠেছে।
এ গবেষণা নিশ্চিত করেছে, জৈব পদার্থ মঙ্গলের পরিবেশে কোটি কোটি বছর টিকে থাকতে পারে, যা ভবিষ্যতে আরও নতুন নতুন পরীক্ষার পথ খুলে দেবে।
নাসার এ মিশনটি চাঁদে পুনরায় মানুষ পাঠানোর ও পর্যায়ক্রমে মঙ্গল গ্রহে নভোচারী পাঠানোর পরিকল্পনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ এক ধাপ।
গবেষণায় দেখা গেছে, শুক্রাণুগুলো যেন কোনো বাঁধনহীন নভোচারীর মতো যত্রতত্র ডিগবাজি খাচ্ছে।
মাস্কের দাবি, ১০ বছরেরও কম সময়ে চাঁদে এ কাজ সম্পন্ন করবে স্পেসএক্স, যেখানে মঙ্গলে একই ধরনের শহর তৈরিতে ২০ বছরের বেশি সময় লেগে যেতে পারে।
পুরো বছরজুড়ে প্রতি দুই দিন অন্তর একটি করে রকেট মহাকাশে পাঠিয়েছে স্পেসএক্স এবং বিরতিহীনভাবে প্রতি সপ্তাহে এমনটি করেছে মাস্কের কোম্পানিটি।
চাঁদের বুকে কেবল স্যাটেলাইটের টুকরা ছড়িয়ে পড়াই শেষ কথা নয়, বরং দলে দলে অকেজো স্যাটেলাইট চাঁদের বুকে আছড়ে পড়লে সেগুলো বড় ধরনের ক্ষতিও করতে পারে।