০৯ জুলাই ২০২৬, ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩
মঙ্গলের অভ্যন্তরে ‘বড় ও লুকিয়ে থাকা ম্যাগমা বা গলিত লাভা ব্যবস্থা’ রয়েছে, যা ভিনগ্রহের প্রাণের সন্ধানে এক বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।
নাসার ইতিহাসে অন্য কোনো গ্রহে ম্যারাথন সমপরিমাণ দূরত্ব পাড়ি দেওয়া এটাই দ্বিতীয় অভিযাত্রী|
নব্বইয়ের দশকের শেষদিকে মঙ্গলের বুকে প্রথম রোভার অবতরণের পর থেকে নাসার বিভিন্ন রোভার একের পর এক অভাবনীয় সাফল্য পেয়েছে।
স্পেসএক্স বলেছে, “আমাদের একমাত্র পরিচিত বাসস্থান পৃথিবীর গণ্ডি পেরিয়ে বাইরে পা রাখার মাধ্যমে আমরা মানব প্রজাতির অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার বিকল্প ব্যবস্থা নিশ্চিত করছি।”
মহাকাশযানটির মূল বৈজ্ঞানিক গবেষণার মেয়াদ কেবল এক বছর নির্ধারিত হলেও মহাকাশযান মঙ্গলের কক্ষপথে ১১ বছরেরও বেশি সময় ধরে নিয়মিত পৃথিবীতে তথ্য পাঠিয়েছে।
নাসার প্রকাশ করা এসব ছবিতে মঙ্গলের বড় আকারের গিরিখাত, দক্ষিণ মেরুর বরফ ও এক মনোহর অর্ধচন্দ্রাকৃতির রূপ ফুটে উঠেছে।
এ নথিতে কোম্পানির পরিচালনা খরচ ও আয়ের নতুন হিসাবের পাশাপাশি, মহাবিশ্ব নিয়ে মাস্কের স্বভাবসুলভ কিছু বড় ঘোষণা এবং তার প্রযুক্তি সাম্রাজ্যের ভেতরের অদ্ভুত কিছু দিকও ফুটে উঠেছে।
এ গবেষণা নিশ্চিত করেছে, জৈব পদার্থ মঙ্গলের পরিবেশে কোটি কোটি বছর টিকে থাকতে পারে, যা ভবিষ্যতে আরও নতুন নতুন পরীক্ষার পথ খুলে দেবে।