১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩
স্পেসএক্স বলেছে, “আমাদের একমাত্র পরিচিত বাসস্থান পৃথিবীর গণ্ডি পেরিয়ে বাইরে পা রাখার মাধ্যমে আমরা মানব প্রজাতির অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার বিকল্প ব্যবস্থা নিশ্চিত করছি।”
মহাকাশযানটির মূল বৈজ্ঞানিক গবেষণার মেয়াদ কেবল এক বছর নির্ধারিত হলেও মহাকাশযান মঙ্গলের কক্ষপথে ১১ বছরেরও বেশি সময় ধরে নিয়মিত পৃথিবীতে তথ্য পাঠিয়েছে।
নাসার প্রকাশ করা এসব ছবিতে মঙ্গলের বড় আকারের গিরিখাত, দক্ষিণ মেরুর বরফ ও এক মনোহর অর্ধচন্দ্রাকৃতির রূপ ফুটে উঠেছে।
এ নথিতে কোম্পানির পরিচালনা খরচ ও আয়ের নতুন হিসাবের পাশাপাশি, মহাবিশ্ব নিয়ে মাস্কের স্বভাবসুলভ কিছু বড় ঘোষণা এবং তার প্রযুক্তি সাম্রাজ্যের ভেতরের অদ্ভুত কিছু দিকও ফুটে উঠেছে।
এ গবেষণা নিশ্চিত করেছে, জৈব পদার্থ মঙ্গলের পরিবেশে কোটি কোটি বছর টিকে থাকতে পারে, যা ভবিষ্যতে আরও নতুন নতুন পরীক্ষার পথ খুলে দেবে।
নাসার এ মিশনটি চাঁদে পুনরায় মানুষ পাঠানোর ও পর্যায়ক্রমে মঙ্গল গ্রহে নভোচারী পাঠানোর পরিকল্পনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ এক ধাপ।
গবেষণায় দেখা গেছে, শুক্রাণুগুলো যেন কোনো বাঁধনহীন নভোচারীর মতো যত্রতত্র ডিগবাজি খাচ্ছে।
মাস্কের দাবি, ১০ বছরেরও কম সময়ে চাঁদে এ কাজ সম্পন্ন করবে স্পেসএক্স, যেখানে মঙ্গলে একই ধরনের শহর তৈরিতে ২০ বছরের বেশি সময় লেগে যেতে পারে।