০৮ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
কয়েক দশক ধরে বিজ্ঞানীদের অনুমান ছিল, বহিঃস্থ কোরের এ বড় আকারের তরল প্রবাহ তুলনামূলকভাবে বেশ স্থিতিশীল ও তা পশ্চিম দিকে প্রবাহিত হয়।
প্রচলিত ধারণা, কোনো আগ্নেয়গিরি ১০ হাজার বছর ধরে অগ্নুৎপাত না করলে একে ‘বিলুপ্ত’ বলা যায়। তবে পুনরায় জেগে ওঠার আগে ১ লাখ বছরেরও বেশি সময় ধরে সুপ্ত অবস্থায় থাকতে পারে।
ছোট ও বড় ভূমিকম্প উভয়েরই শুরুর দিকের লক্ষণ প্রায় একই রকম দেখা যায়। শুরুর মুহূর্ত দেখে বোঝা যায় না কোন কম মাত্রার নাকি বড় মাত্রার ভূমিকম্প হবে।
লবণের স্ফটিক, যেগুলোকে ‘হ্যালাইট’ বা শিলালবণ বলা হয় এগুলো পানির স্তরের নিচে নেমে যাচ্ছে। বিষয়টি এমন যেন পানির নিচে ‘লবণের তুষারপাত’ হচ্ছে।