১৪ জুলাই ২০২৬, ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩
বালু উত্তোলনের কারণে ভাঙন বেড়েছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।
“বর্তমানে অধিকাংশ নদ-নদীর পানি কমলেও আগামী দুই দিনের মধ্যে আবারও পানি বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।”
শরীয়তপুরে নড়িয়া উপজেলার চরআত্রা ও নওপাড়া এলাকায় পদ্মা নদী থেকে অবাধে বালু তোলায় ভাঙনের আশঙ্কায় আছে বহু কৃষিজমি ও বসতভিটা।
সিরাজগঞ্জ পয়েন্টে নদীর পানি নয় সেন্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার ১৫১ সেন্টিমিটার এবং কাজিপুর পয়েন্টে সাত সেন্টিমিটার বেড়ে ১৯৯ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
নীলফামারীতে ক্যানেলের ডানপাড়ের তীরে এ ধস দেখা দিয়েছে বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।
মানববন্ধনে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রী, শিক্ষক, অভিভাবক ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা অংশ নেন।
“ভারত তাদের প্রয়োজনে কোন রকম সতর্ক বার্তা ছাড়াই গেট খুলে আমাদের পানিতে ডুবিয়ে মারছে; যা আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী।”
অস্বাভাবিক হারে পানি বাড়লেও আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই, বলছেন পাউবোর একজন প্রকৌশলী।