২৬ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩
ঢাকার উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমানবাহিনীর প্রশিক্ষণ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনার পর এক বছর পেরিয়ে গেলেও শিক্ষার্থীদের আতঙ্ক কাটেনি। এখনো শরীর আর মনে সেই ক্ষত বয়ে চলেছে শিক্ষার্থীদের অনেকে।
“ওরাতো (শিশুরা) এগুলো জিজ্ঞেস করে, আমাদেরতো উত্তর দিতে হবে। এটা কি এভাবেই চলতে থাকবে? বিচার হবে না?”
তদন্ত কমিশন বলেছে, “সামগ্রিক পর্যালোচনায় এই বিমান বিধ্বস্তের দুর্ঘটনাটির মূল কারণ হিসেবে উল্লেখ করা যায় মনুষ্য-ত্রুটি, যা পরিবেশগত প্রভাবক দ্বারা ত্বরান্বিত হয়েছে।”
“রাজউক থেকে আমাদের বলা হয়েছে ভবনটি ভেঙে ফেলার জন্য, তাই আমরা তা করছি।”
এখনো সে স্কুলে ফিরতে পারেনি সে। শিক্ষকরা অনলাইনে পড়ালেখার বিষয়বস্তু দিয়ে দিচ্ছেন, বাসাতে শিক্ষকের কাছেও পড়তে হচ্ছে। এভাবেই চলছে দিন।
চীনের রাজধানীর আকাশসীমা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত হওয়ায় এটিকে একটি অস্বাভাবিক দুর্ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
মিজৌরির বাটলার মেমোরিয়াল বিমানবন্দরের কাছে এ দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে ১১ জন স্কাইডাইভার ও অপরজন বিমানটির পাইলট।
বাকি দুই ক্রু’র খোঁজে উদ্ধার অভিযান চলছে।