২৯ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩
১৯৭৫ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর গভীর আস্থার সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিল বাংলাদেশ। ঠিক সেই মুহূর্তে ক্ষমতার কেন্দ্রে এসে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান কীভাবে সাজিয়েছিলেন দেশের পররাষ্ট্রনীতি? কোন কোন দেশে কেন গিয়েছিলেন তিনি?
আঞ্চলিক রাজনীতির বড় দুই খেলোয়াড় ভারত ও চীনের প্রতিযোগিতার চাপ এড়িয়ে ভারসাম্য রাখতে হলে তারেক রহমানকে তার প্রথম বিদেশ সফরের জন্য তৃতীয় কোনো দেশকেই বেছে নিতে হত।
“সরকারপ্রধান কুয়ালালামপুর থেকে সরাসরি বেইজিং যাবেন, নাকি ঢাকায় ফিরে তারপর যাবেন, তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি,” বলেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা।
অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে দুইবার তার বিদেশযাত্রা আটকে দেওয়া হয় বলে সংবাদমাধ্যমে বলেছিলেন রাষ্ট্রপতি।
জাতিসংঘে প্রধান উপদেষ্টার বহরের সংখ্যা নিয়ে লুকোচুরি এবং ৭ জনের ঘোষণা থেকে ১০৪ জন নিয়ে তথ্যের ভিন্নতা এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।
পরিপত্রে বলা হয়েছে, ঠিকাদার/সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের অর্থায়নে বিদেশ ভ্রমণ অবশ্যই পরিহার করতে হবে।
তিন দিনের সফরে গিয়েছিলেন তিনি।
সফরকালে সেনাবাহিনী প্রধান কুয়েত সরকারের সামরিক ও বেসামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন।