০১ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩
কোনো শিশু ধর্ষণ ও নৃশংসভাবে খুন হওয়ার পর দেশজুড়ে তোলপাড় না হলে কি প্রশাসন নড়েচড়ে বসবে না? তাহলে যে শিশুদের কথা অনালোচিত রয়ে যায়, তাদের পরিবার কি শুধুই বিচারের আশায় দিন গুনবে?
হামে শিশু মৃত্যু যেমন প্রতিরোধযোগ্য, তেমনি ধর্ষণের মতো নৃশংস অপরাধও। যখন কাফনে মোড়ানো ছোট্ট দেহগুলো দেখি, তখন মনে হয়, আমরা কোনো সভ্য দেশ নই, বরং বর্বরতার এক প্রদর্শনী কেন্দ্র।
এ কেমন বিচারব্যবস্থা, যেখানে একটি মন্থর ও দীর্ঘসূত্রী কাঠামোগত কার্যপ্রক্রিয়ার দরুণ অপরাধী সাব্যস্ত হবার পরও বিচার শেষ হতে গড়ে সময় লাগে ২৩৪৯ দিন!
রামিসার হত্যাকারীর জবানবন্দি পড়ে শিউরে উঠতে হয়—কতটা স্বাভাবিকভাবে সে একটি শিশুকে পৈশাচিক উল্লাসে ধর্ষণ ও হত্যা করেছে! তার চেয়েও জঘন্য বিষয় হলো, এই হত্যাকাণ্ডের সংবাদের নিচে একদল মানুষের মন্তব্য।
ত্বকী হত্যার বিচার এখন শুধু একটি পরিবারের দাবি নয়। এটি বাংলাদেশের গণতন্ত্র, বিচারব্যবস্থা এবং রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরীক্ষায় পরিণত হয়েছে।
১১ বছরের মেয়েটির পেটে বাচ্চা নড়ছে, কিন্তু রাষ্ট্রের নড়াচড়া নেই—আছে হয়তো শুধু গ্রেপ্তার পর্যন্ত। তারপর? আমাদের সবার হয়ে প্রশ্নটি করেছেন জোবাইদা নাসরীন।
বর্তমানে প্রধান দলগুলোর চরিত্র বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ডানবিরোধী অবস্থান মানেই তা বাম নয়, বরং তা এক ধরনের ‘সহনশীল ডান’। এদেরকে আপাতদৃষ্টিতে প্রগতিশীল মনে হলেও তাদের চর্চায় ডানের ছাপ স্পষ্ট।
বিচারের দীর্ঘসূত্রতা কি অপরাধীদের আরও সাহসী করে তুলছে? আমেনা ও জমিলা ধর্ষণ ও হত্যার বিচার কি আছিয়ার মতো দ্রুত হবে?