০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
মূল্যস্ফীতি, জীবনযাত্রার ব্যয়বৃদ্ধির মধ্যে বিদ্যুতের এই মূল্যবৃদ্ধি সাধারণ মানুষের জীবনকে আরও ‘দুর্বিষহ’ করে দেবে বলে মনে করছে দলগুলো।
“আসন্ন বাজেটকে সামনে রেখে তড়িঘড়ি করে বিদ্যুতের এই অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি করা সাধারণ মানুষের ওপর এক বড় ধরনের জুলুম।”
পাইকারি, সঞ্চালন ও খুচরা- তিন পর্যায়েই বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন-বিইআরসি। নতুন মূল্যহার জুন মাসের বিল থেকে কার্যকর হবে।
নতুন দাম জুন মাসের বিল থেকে কার্যকর হবে।
কোম্পানিগুলোর দর বাড়ানোর প্রস্তাবের ওপর গণশুনানি শেষ হয়েছে।
নতুন এই দর মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে কার্যকর হচ্ছে।
চোরের বিল মেটাতে হচ্ছে সাধারণ গ্রাহকদের—এ হচ্ছে বিদ্যুৎ খাতের এক নির্মম বাস্তবতা। উন্নত বিশ্বে যেখানে বিদ্যুৎ অপচয় মাত্র ২ থেকে ৫ শতাংশ, সেখানে বাংলাদেশে তা ১০ শতাংশের বেশি! এই হরিলুটের লোকসান মেটাতে বারবার কেন কোপ পড়ে সাধারণ মানুষের পকেটে?
অংশীজনরা বললেন, বিদ্যুৎ খাতকে মুনাফাভিত্তিক ব্যবসা হিসেবে দেখা যাবে না; ক্যাপাসিটি চার্জ, সিস্টেম লস, প্রকল্প ব্যয় ও অদক্ষতার বোঝা ভোক্তার ওপর চাপানো যাবে না।