০১ জুলাই ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩
নোবেলজয়ী জলবায়ু বিজ্ঞানী ১৯৬০-এর দশকে যেসব জলবায়ু মডেল তৈরি করেছিলেন তাতেই ইঙ্গিত মিলেছিল, কার্বন ডাই অক্সাইড বেড়ে গেলে বায়ুমণ্ডলের নিম্নভাগ উষ্ণ ও ওপরে শীতল হবে।
সাধারণত এসব মেঘ বা ‘ট্রান্সভার্স সিরাস ব্যান্ড’ বড় আকারের বজ্রঝড় ও বজ্রসহ ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে লম্বভাবে বা ঘূর্ণিঝড়ের পরিধি বরাবর দেখা যায়।
মঙ্গলের বুকে ‘ডাস্ট ডেভিল’ নামে পরিচিত নিয়মিত যে ধূলিঝড় বা ঘূর্ণিবায়ু ঘুরে বেড়ায় এর সঙ্গেই মূলত এ বিদ্যুতের যোগসূত্র রয়েছে।
আগামী ২১ তারিখ মঙ্গলবার মধ্যরাতে, অর্থাৎ ২২ তারিখ সূর্য উদয়ের আগ পর্যন্ত দক্ষিণ আকাশে দেখা যাবে ‘ওয়াওনিড’ নামের উল্কাপাত।
প্লেনটির ইঞ্জিন কেবল ১০ সেকেন্ড কাজ করলেও সেই অল্প সময়েই এক্স৪৩-এ প্রমাণ করেছে, বাতাসের অক্সিজেন ব্যবহার করে হাইপারসনিক উড্ডয়ন বাস্তবেও সম্ভব।
এ সময় সূর্য পৃথিবীর বিষুবরেখা পেরিয়ে দক্ষিণ দিকে চলে যায়। ফলে দিন ধীরে ধীরে ছোট হয়ে রাত বড় হতে থাকে।
“সাধারণত নিজেদের গবেষণার ক্ষেত্রে প্রাণের সন্ধানের সম্ভাবনা নিয়ে উচ্চাকাঙ্খী আশা প্রকাশ করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন না বিজ্ঞানীরা।”
সড়ক সম্প্রসারণে ও নতুন নির্মাণে গাছ কাটার প্রতিযোগিতা সাধারণ মানুষ আন্দোলন করে বন্ধ করতে সক্ষম হয়েছে, এমন কোনো নজির দেশে খুব একটা নেই।