১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
“বাংলাদেশকে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্রাজ্যবাদী ভূরাজনৈতিক কৌশলে জড়িয়ে ফেলার ষড়যন্ত্র চলছে,“ বলা হয় সাম্রাজ্যবাদ ও যুদ্ধবিরোধী জোটের বিবৃতিতে।
“একটা কাঠামো কাজ করছে না, সেই কাঠামো ভাঙতে গিয়ে এই সনদ আরেকটা নতুন কাঠামো তৈরি করেছে। যেটা সংস্কারের ক্ষেত্রে একটা অচল অবস্থা তৈরি করতে পারে,” বলেন জোবাইদা নাসরীন।
ইতিহাস ‘সঠিকভাবে না আসা’ এবং সংবিধানের মূলনীতি পরিবর্তন নিয়ে আপত্তির কারণে আগেই সনদে সই না করার ঘোষণা দিয়েছিল তারা।
দলগুলোর তরফে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের ভিত্তিকে প্রকারন্তরে ‘অস্বীকার’ করা হচ্ছে এই সনদে।
“আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছিলাম এ বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল প্রগতিশীল ছাত্র সংগঠন ও অ্যাক্টিভিস্টদের, কিন্তু অনেকে তাদের রাজনৈতিক স্বার্থে এক হতে চায় নাই,” বলেন জুবেল।
'সাম্রাজবাদবিরোধী দেশপ্রেমিক জনগণ' নামের নতুন প্ল্যাটফর্মের ব্যানারে দেওয়া হয়েছে এ কর্মসূচি।
ক্যাম্পাসে ছাত্ররাজনীতি থাকলে তা কেমন হবে, ডাকসু নির্বাচনসহ বেশ কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা হয় সভায়।