১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।
সাংস্কৃতিক আয়োজনের প্রধান ভোক্তা যদি হতো সাধারণ কর্মজীবী মানুষ তাহলে সংস্কৃতি-বিদ্বেষীরা এমন আক্রমণ করতে সাহস পেত না।
টাকা ধার দেওয়ার কথা বলে সুমনকে অটোরিকশায় তুলে একটি পরিত্যক্ত জায়গায় নিয়ে হত্যা করা হয় বলে জানায় নারায়ণগঞ্জে ফতুল্লা থানা পুলিশ।
সুমন রাতে তার স্ত্রী বাউল শিল্পী সোনিয়া আক্তারকে গানের আসরে দিয়ে এসেছিলেন।
ওসি বলেন, “সমাবেশ অনুষ্ঠিত হওয়ার আগে কোর্ট চত্বর এলাকায় দুইজন বাউল শিল্পীকে একা পেয়ে উৎসুক জনতা তাদের ওপর হামলা করে।”
"যে রাষ্ট্র নিজের সংস্কৃতির দুর্গম শিকড় বাউল–কে দমন করে, সেই রাষ্ট্রের ভাঙন আসলে অনিবার্যই হয়ে ওঠে।”
“কিন্তু দুঃখজনক হল, এতগুলো হামলার কোনো একটিরও সুষ্ঠু তদন্ত বা সুষ্ঠু বিচার এই অন্তর্বর্তী সরকার দেখাতে পারেনি,’ বলেন ফাইজা মেহজাবিন।
“এসব হামলা কেবল কয়েকজন শিল্পীর বিরুদ্ধে নয়, বরং জাতির মানবতাবাদী চেতনার বিরুদ্ধে সংগঠিত অপতৎপরতা।”