২৬ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩
তারা ত্রিপোলির তাজুরা ডিটেনশন সেন্টারে আটকা ছিলেন।
আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে বিরোধী মতের বহু মানুষকে তুলে নিয়ে বিচার বহির্ভূতভাবে অজ্ঞাত স্থানে আটক রাখার অভিযোগ ওঠে, সেইসব বন্দিশালার প্রতীকী নাম রাখা হয়েছে ‘আয়নাঘর’।
“দেশে আয়নাঘরের মত দৃষ্টান্ত হতে দেওয়া সবার অপরাধ।“
প্রধান উপদেষ্টাকে ঢাকার আগারগাঁওয়ের একটি নির্যাতনকেন্দ্রে ব্যবহৃত একটি বৈদ্যুতিক চেয়ার দেখানো হয়। একজন গুমের শিকার ব্যক্তি কচুক্ষেত এলাকায় প্রধান উপদেষ্টাকে নির্যাতন সেলের দেয়াল দেখান।
সেখানে ‘আয়নাঘর’ বা বন্দিশালা আছে- এমন কথাও চাউর হয়েছিল।
অব্যাহতি পাওয়া এসআইদের বিষয়ে তার ভাষ্য, “আইজি সাহেবের কাছে বলতে পারতো, কিন্তু তারা এটা না কইরা গেছে রাস্তায়; এতেই তো বোঝা যাইতেছে, তারা উশৃঙ্খল ছিল।"
এই কারাগারের মাটির নিচের বিভিন্ন কুঠুরিতে বন্দিরা থাকতে পারে এমন খবরের ভিত্তিতে সেখানে এই তৎপরতা চলছে। আশেপাশে ভিড় করেছে মানুষ।
“ডিবিতে কোনো ধরনের অন্যায়-অবিচার ও দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না," বলেন তিনি।