১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩
“কোনো দলের বিরুদ্ধে না, আমাদের প্রোগ্রাম বিচারের দাবিতে, ফ্যাসিবাদের উত্থানের প্রতিবাদে।”
ফ্যাসিবাদ যেমন সরকারের ভেতর থাকতে পারে, তেমনি উগ্র বিরোধী দল, ধর্মীয় গোষ্ঠী কিংবা তথাকথিত প্রগতিশীলদের মধ্যেও বাসা বাঁধতে পারে।
বিএনপি যেখানে সতর্কতার সঙ্গে বিতর্ক এড়িয়েছে, জামায়াতে ইসলামী সেখানে চাইছে ‘সঠিক ইতিহাস’ লিখতে। আবার এনসিপির বয়ানে '৩০ লাখ' শহীদের বদলে এসেছে 'লাখো' শহীদের কথা।
“একটি পাশ্ববর্তী দেশে প্রধান উপদেষ্টাকে যেভাবে নিন্দনীয় উপস্থাপনের সংবাদ পাওয়া গেছে, তার সঙ্গে অসুরের মুখে দাড়ি বসিয়ে দেওয়ার কাজটির যোগসূত্রতা দেখা যাচ্ছে।”
“আমরা দেখেছি, প্রতিটি ঘটনায় তারা আওয়ামী লীগের সাথে, আওয়ামী লীগের সিদ্ধান্তের সাথে এক হয়ে কাজ করেছেন।”
“২১ দিনের মধ্যে যার যার স্থান থেকে ফ্যাসিস্টদেরকে তাড়িয়ে দিয়ে আপনাদের নিজের জায়গা পূরণ করুন।”
“আওয়ামী দুষ্কৃতিকারীদের বিচার আমাদের চেয়ে বেশি কেউ করে নাই,” বলেন তিনি।
এই ধরনের আক্রমণ বা পরিবর্তনের বিরুদ্ধে কোনো রাষ্ট্রীয় প্রতিক্রিয়া চোখে পড়ে না। অধিকাংশ সময় প্রশাসন চুপ, সংস্কৃতি অঙ্গনের অংশগ্রহণ ক্ষীণ, নাগরিক প্রতিবাদ নেই।