১৩ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩
উড্ডয়নের সময় স্পেস শাটলের বিদ্যুচ্চালিত বিভিন্ন ব্যবস্থা ঠিকমতো কাজ করছে কি না তা নজরে রাখতে প্লেনে আরও কিছু বিশেষ যন্ত্রপাতি যোগ করেছিলেন প্রকৌশলীরা।
কেন্দ্রটির নির্মাণ কাজ ২০২৭ সালের গ্রীষ্মকালের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। তবে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় এর পরিধি আরও বাড়ানো হতে পারে।
মাসের শুরুতে প্রথম সফল ফ্লাইটের পর ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন লোকালয়ের ওপর দিয়ে পরিকল্পিত পরীক্ষামূলক যাত্রার জন্য প্রয়োজনীয় গতি ও উচ্চতা স্পর্শ করেছে নাসার জেটটি।
যুদ্ধ শুরুর প্রথম ২৪ ঘণ্টায় পারস্য উপসাগরের ১ হাজার ১০০টিরও বেশি জাহাজ বিভ্রাটের শিকার হয়েছে। এর এক সপ্তাহ পর এই হার আরও ৫৫ শতাংশ বেড়েছে।
এ প্রযুক্তি একইসঙ্গে হেলিকপ্টারের মতো যেকোনো জায়গায় নামতে ও জেট প্লেনের মতো প্রচণ্ড গতিতে ছুটতে পারবে বলে দাবি ডারপার।
শত শত যাত্রীকে নিরাপদে পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব যেহেতু পাইলটদের ওপর ফলে ঘুমের সময় তারা প্লেনের সবচেয়ে আরামদায়ক জায়গাটি পাবেন, সেটিই স্বাভাবিক।
গবেষকরা বলছেন, এ একই প্রযুক্তি ভবিষ্যতে সুপারসনিক বা শব্দের চেয়ে দ্রুতগামী প্লেনের ক্ষেত্রেও প্রয়োগ হতে পারে।
আলাস্কা এয়ারলাইন্সের ওই পাইলটের অভিযোগ, নিজেদের ‘অসংখ্য ব্যর্থতা’ আড়াল করতে তাকে বলির পাঁঠা বানাচ্ছে উড়োজাহাজ নির্মাতা মার্কিন কোম্পানিটি।