২৫ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩
অনিয়ন্ত্রিত পর্যটন, প্লাস্টিক দূষণ ও উচ্চ শব্দের তাণ্ডবে আজ হুমকির মুখে রামসার সাইট টাঙ্গুয়ার হাওর! সাময়িক আনন্দের জন্য আমরা কি ধ্বংস করে দিচ্ছি এই জীবন্ত বাস্তুতন্ত্র?
আপাতদৃষ্টিতে ছোট মনে হলেও যত্রতত্র ময়লা ফেলার সামাজিক এবং পরিবেশগত ক্ষতি অপরিসীম। চলন্ত গাড়ি থেকে প্লাস্টিকের বোতল ছুঁড়ে দেওয়া থেকে শুরু করে রেস্তোরাঁর টেবিলে উচ্ছিষ্ট ফেলে আসা—আমাদের এই প্রাত্যহিক অসচেতনতা কীভাবে পুরো দেশকে মহাবিপদের দিকে ঠেলে দিচ্ছে? বিশৃঙ্খল সমাজকে বদলে দিতে প্রধানমন্ত্রীর এই সময়োপযোগী আহ্বানের গভীর গুরুত্ব অনুধাবন করার এখনই সময়।
তারেক রহমান বলেন, পরিবেশ দূষিত হলে শেষ পর্যন্ত তার ক্ষতি মানুষেরই হয় এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মও এর নেতিবাচক প্রভাব বহন করবে।
প্লাস্টিক আগুনে দিলে শেষ হয়ে যায় না, শুধু রূপ বদলায়। বাস্তবে এটি শুধু ময়লা সরানো নয়; ধীরে ধীরে শহরের বাতাসকে বিষাক্ত করে তোলার আত্মঘাতী প্রক্রিয়া।
“মানবদেহের চর্বি থেকে পলিথিনের মতো সংকেত তৈরি হতে পারে, যা পরীক্ষায় ভুলভাবে প্লাস্টিক হিসেবে ধরা পড়ে।”
৪০তম আন্তর্জাতিক সমুদ্র সৈকত পরিচ্ছন্নতা দিবস উপলক্ষে সেন্ট মার্টিন সমুদ্র সৈকতে অনুষ্ঠিত হলো পরিচ্ছন্নতা অভিযান। যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক পরিবেশ বিষয়ক সংগঠন ওশান করজারভেন্সির বিশ্বব্যাপী এ উদ্যোগের বাংলাদেশ সহযোগী স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন কেওক্রাডং বাংলাদেশ। ইউনিলিভার বাংলাদেশের সহায়তায় সেন্ট মার্টিন দ্বীপ থেকে অ-পচনশীল ও প্লাস্টিক বর্জ্য অপসারনের এই অভিযানে স্থানীয় শিক্ষার্থী সহ প্রায় ৫০০ স্বেচ্ছাসেবী অংশগ্রহণ করেন।
এই ক্যাম্পেইনের আওতায় শিক্ষার্থীরা পরিবেশবান্ধব বিকল্প হিসেবে কাগজের কলম, কাগজের ব্যাগ, গিফট র্যাপ ও অরিগামি পণ্য তৈরি করবে।
প্রকল্পের লক্ষ্য হলো, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও টাঙ্গাইলের ১৫ হাজার টন প্লাস্টিক বর্জ্য ‘দায়িত্বশীলভাবে’ ব্যবস্থাপনা করা।