০১ জুলাই ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩
দেশ স্বাধীন হওয়ার পর নতুন আঙ্গিকে বাংলাদেশের শিল্পজগতে মুস্তাফা মনোয়ার মেলে ধরেন পাপেটের এক নতুন রূপ।
“মৃত্যুর আগেও উনি শয্যায় বসে বাংলাদেশ নিয়ে ভাবতেন। বাংলাদেশের সংস্কৃতি, বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবতেন এবং আমাদের সাথে সেই অসুস্থ অবস্থায়ও রস-তামাশা করতেন।”
জানাজা শেষে মরদেহ আধা ঘণ্টার জন্য নেওয়া হবে মুস্তাফা মনোয়ারের এক সময়ের কর্মস্থল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদে।
“বয়সটা দুই রকম। একটা অঙ্কের ব্যাপার, আরেকটা মনের তৃপ্তির ব্যাপার। পৃথিবীকে দেখার ব্যাপার, পৃথিবীকে ভালোবাসার ব্যাপার। সেইখানে বয়স বাড়ে না।”
শিল্পকলায় অবদানের জন্য ২০০৪ সালে সরকার মুস্তাফা মনোয়ারকে একুশে পদকে ভূষিত করে।
কোনো কিছু ‘ধরে রাখা’ বা তা থেকে ‘সরে আসা’ উচিৎ কি না, আমরা প্রায়শই বিভিন্ন পরিস্থিতিতে এমন দ্বিধার মধ্যে পড়ে থাকি, সেটা সম্পর্ক হোক কিংবা পেশাগত ক্যারিয়ার।