০১ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩
আসামির পক্ষে জামিনের আবেদন ছিল না।
আসামি নাসরিনের হয়ে মনোয়ারাকে আদালতে হাজির করে জামিন আবেদন করেছিলেন এক আইনজীবী; পরে ধরা পড়েন মনোয়ারা।
আটক ব্যক্তির নাম ইয়াছিন আরাফাত। তিনি মাহবুবুর রহমান নামে এক পরীক্ষার্থীর পরিচয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করে ধরা পড়েন।
আসিফ ‘স্বীকার’ করেছেন, তার পরিবর্তে হুমায়ুন কবীরের সহায়তায় অন্য কেউ লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিলেন।
পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের সহকারী সালমা খাতুনের পরিবর্তে তার পুত্রবধূ হালিমা খাতুন পোলিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করছিলেন।