২৬ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩
কৃষি বিভাগ বলছে, চাষ ছড়িয়ে দিতে পারলে কৃষকরা আর্থিকভাবে লাভবান হবেন।
চলতি রবি মৌসুমে মুড়িকাটা পেঁয়াজ আবাদে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন ফরিদপুরের চাষীরা। তবে সার ও কীটনাশকের দামসহ চাষাবাদের খরচ বেড়ে যাওয়ায় এবার মুনাফা কমে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন তারা।
পেঁয়াজ সংরক্ষণে সরকারি উদ্যোগে নির্মাণ করা হচ্ছে ঘর। কৃষি বিভাগের বরাদ্দ দেওয়া এসব ঘর নির্মাণে, অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে ফরিদপুরে। সময়মত ঘর না পাওয়ায়, বড় ক্ষতির মুখোমুখি বোয়ালমারী ও সালথা উপজেলার প্রান্তিক চাষিরা।
অধ্যাপক সাইফুল বলেন, “সরকারের যে পরিসংখ্যান আছে, সেখানে হাত দেওয়া দরকার। সঠিকভাবে উৎপাদন, সরবরাহ, চাহিদা নির্ণয় করা দরকার। শুধু পেঁয়াজ না, আলু, চালসহ অন্যান্য পণ্যের ক্ষেত্রও এটা জরুরি।”
বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে পেঁয়াজের ফুল এপ্রিলের রোদে শুকিয়ে হয়েছে ঝুনো, দলবেঁধে সেসব ফুল সংগ্রহ করছেন নারীরা। ফরিদপুরের প্রায় ১ হাজার ৮৫৪ হেক্টর জমিতে লাগানো এই পেঁয়াজের ফুল থেকেই বীজ সংগ্রহ করছেন কৃষকেরা। এবার আবাদ বাম্পার হওয়ায় ভালো লাভের প্রত্যাশাও করছেন তারা।