০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
এ প্রকল্পের জন্য দরকারি প্রশাসনিক ও আইনগত অনুমোদন পেতে কোম্পানিটির কয়েক বছর সময় লেগেছে।
সূর্যে যেভাবে প্রচণ্ড তাপে হাইড্রোজেন পরমাণুগুলো মিলিত হয়ে শক্তি তৈরি করে পৃথিবীতে ঠিক সেই প্রক্রিয়াটিই ঘটানোর চেষ্টা করছেন বিজ্ঞানীরা।
প্রতিরক্ষা বিলটি এ সপ্তাহের শুরুতে কংগ্রেস পাস করেছে। এতে এমন দুটি সংশোধনী অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যা বাণিজ্যিক পারমাণবিক শক্তি সমর্থকরা রীতিমতো উদযাপন করছেন।
দুই দেশের মধ্যে পারমাণবিক শক্তি জোরদার করতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে চুক্তি করবেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার।
এসব চুল্লি থেকে বিদ্যুৎ পাবে টেনেসির মন্টগোমারি কাউন্টি ও আলাবামার জ্যাকসন কাউন্টিতে অবস্থিত গুগলের বিভিন্ন ডেটা সেন্টার।
নাসা বহু বছর ধরেই মহাকাশে পারমাণবিক শক্তি নিয়ে কাজ করছে ও তহবিল দিচ্ছে। এবার কাজের নির্দিষ্ট সময়সীমা বা তারিখ ঠিক করে দিয়েছে সংস্থাটি– এটিই নতুন বিষয়।
চাঁদে পারমাণবিক চুল্লি তৈরির ধারণা এরারই নতুন নয়। ২০২২ সালে তিনটি কোম্পানিকে এমন চুল্লি নকশার জন্য ৫০ লাখ ডলারের তিনটি প্রকল্প দিয়েছিল নাসা।
বর্তমানে এ বিদ্যুৎকেন্দ্রের মোট উৎপাদন সক্ষমতা এক হাজার একশ ২১ মেগাওয়াট, যা প্রায় ৮ লাখ মার্কিন বাড়ির মোট বিদ্যুৎ চাহিদার সমান।