০৫ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
বিরোধী জোটের একটি প্রচারপত্রের সমালোচনা করে তিনি বলেছেন, সেখানে ‘জুলাই সনদ’-এর কথা নেই।
“১৯৭১ সালে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী যে অভিযান চালায়, তা জাতিসংঘের সংজ্ঞা অনুযায়ী গণহত্যা,” বলেন ল্যান্ডসম্যান।
১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর কী হয়েছিল, তা জানতে প্রধান উপদেষ্টাকে ‘স্বাধীন নিরপেক্ষ কমিশন’ গঠন করার অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।
‘স্লিপ অব টাং’ থেকে শুরু করে শরণার্থী শিবির, সংবাদপত্র, গণহত্যা গবেষণা ও জনসংখ্যা বিশ্লেষণ—সবকিছু মিলিয়ে এই লেখা দেখায়, মুক্তিযুদ্ধের শহীদ নিয়ে সংখ্যার বিতর্ক আসলে ইতিহাস অস্বীকারের এক রাজনৈতিক প্রকল্প।
“একটি গণতান্ত্রিক, উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশ গড়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন শহীদ বুদ্ধিজীবীরা,” বলেন প্রধান উপদেষ্টা।
একাত্তরে যখন ধর্মের দোহাই দিয়ে পাকিস্তানি জান্তার পক্ষে অনেক পীর-মাশায়েখ বা ধর্মভিত্তিক দল ‘গনিমত’ সংগ্রহের ফতোয়া দিচ্ছিল, ঠিক সেই অন্ধকার সময়ে বগুড়ার এক পীর পরিবার দেখিয়েছিল—প্রকৃত ঈমানদারের রক্ত কোনোদিন জালিমের সঙ্গে আপস করতে পারে না।
রিসেট বাটন চাপা কি শুধু রাজনীতির সংস্কার, নাকি মুক্তিযুদ্ধকে ‘প্রতিরোধ যুদ্ধ’ হিসেবে উল্লেখ, শহীদের সংখ্যা নিয়ে বিতর্ক এবং বঙ্গবন্ধুকে অবমাননা করার নতুন বয়ান?
“আগে আমরা ইতিহাস অতিরঞ্জন করা দেখেছি; এখন দেখছি ইতিহাস ভুলিয়ে দেওয়া চেষ্টা। এটি দুঃখজনক,” বলেন সালেক খোকন।