২৫ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩
হত্যায় জড়িত অন্যদেরও ইতোমধ্যে শনাক্ত করে গ্রেপ্তার অভিযান অব্যাহত থাকার কথা বলেছে পুলিশ।
হত্যাকাণ্ডের পেছনের কারণ ও হামলাকারীদের পরিচয় উদ্ঘাটনে তদন্ত করার কথা বলছে পুলিশ।
“আমরা নিরপরাধ মানুষের রক্তপাতের তীব্র নিন্দা জানাই।”
“কারবালা শুধু একটি যুদ্ধের স্মৃতি নয়; এটি সত্য, ন্যায়বিচার ও মানবিক মর্যাদা রক্ষার চিরন্তন সংগ্রামের প্রতীক।”
“মহররম উপলক্ষে আতশবাজি ও পটকা ফোটানোর রেওয়াজ থাকলেও তা ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।”
আশুরার দিনে কারবালার স্মরণে ঢাকার বিভিন্ন স্থানে তাজিয়া মিছিল করেছে শিয়া মুসলমানরা। এর মধ্যে হোসাইনী দালান থেকে বের করা শোকের মিছিল বিভিন্ন সড়ক ঘুরে ধানমন্ডি লেকের ধারে প্রতীকী ‘কারবালা’ প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়।
খালি পায়ে, বুক চাপড়ে ‘হায় হোসেন, হায় হোসেন’ মাতম তুলে মিছিলটি ইমামবাড়া উত্তর গেইট থেকে বের হয়ে সামনে এগিয়ে যায়।
মিছিলে ছোরা, বল্লম, চাকুসহ যেকোনো ধরনের অস্ত্র বহন না করা এবং আতশবাজি ও পটকা ফোটানো থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।