৩০ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩
সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে আফগানিস্তান, সোমালিয়া ও শ্রীলঙ্কার মত দেশগুলো।
খাদ্য নিরাপত্তার অভাব যে ১০ দেশে তীব্র হয়ে দেখা দিয়েছে, তার মধ্যে বাংলাদেশও রয়েছে।
আন্তর্জাতিক সাহায্য কমে যাওয়ায় খাদ্য সহায়তার পরিমাণ হ্রাস পাওয়াই রোহিঙ্গাদের ‘বিপজ্জনক সমুদ্রযাত্রার’ পেছনে মূল কারণ হিসেবে কাজ করছে, বলছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।
ইরানে যুদ্ধর জেরে বিশ্বের সবচেয়ে সংকটপূর্ণ অঞ্চলগুলোতে মানবিক ত্রাণ সরবরাহের প্রধান পথগুলো বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে জীবনরক্ষাকারী সামগ্রীর চালান ব্যাহত হচ্ছে।
এই তেল দিয়ে ১০ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থী তিন মাস রান্নার প্রয়োজন মেটাতে পারবেন।
দেশের প্রায় ১৬ লাখ শিশুর ‘অপুষ্টিতে’ ভোগার তথ্যও উঠে এসেছে বিশ্লেষণে।
আগামী ১৫ অক্টোবর তার দেশে ফেরার কথা রয়েছে।
ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রামের গ্লোবাল মিটিংয়ে যোগ দেওয়ার পাশাপাশি ‘উচ্চ পর্যায়ে অনেকের সঙ্গে’ বৈঠক করবেন তিনি।