২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩
“আবার একটা সুযোগ এসেছে। সরকার ও বেসরকারি খাত মিলে এই সুযোগ কাজে লাগাতে হবে।”
শিল্পনগরী পরিদর্শনে এসে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, চামড়া রপ্তানি নয়, চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি করতে সরকার কাজ করছে।
গত বছর চট্টগ্রামে তিন লাখ ৫৬ হাজার ৫০০ চামড়া সংগ্রহ হয়েছিল।
কোরবানির পশুর কাঁচা চামড়া কিনতে ঋণ বিতরণের একটি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করতে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বেশির ভাগ সাভারে স্থানান্তর হলেও ঢাকার হাজারীবাগে ছোট ছোট কিছু ট্যানারি এখনো রয়ে গেছে। ঈদের বাজার সামনে রেখে এসব ট্যানারিতে বেড়েছে চামড়া প্রক্রিয়াজাত করার কাজ। এসব চামড়ায় তৈরি হবে জুতা-ব্যাগসহ নানা পণ্য।
“২০৩০ সাল নাগাদ সাড়ে ১২ বিলিয়ন ইউএস ডলার মূল্যমানের লেদার, লেদারগুডস এবং ফুটওয়্যার উৎপাদন ও রপ্তানি করার সম্ভাবনা রয়েছে।”
ঘরে ঘরে গিয়ে চামড়া সংগ্রহে এবছরও মাঠে থাকবে গাউসিয়া কমিটির সদস্যরা।
কোরবানির পশুর চামড়া প্রক্রিয়াজাত করতে ঈদের পর সাভারের হেমায়েতপুরে চামড়া শিল্পনগরীর ট্যানারিগুলোতে ব্যস্ততার শেষ নেই। বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য পরিকল্পিতভাবে এ নগরী গড়ে তোলা হলেও এখনও সিইটিপির পাশেই উন্মুক্ত স্থানে ফেলা হচ্ছে চামড়ার উচ্ছিষ্ট।