০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
এপস্টেইন গেটসের এসব সম্পর্কের বিষয়ে জানতে পেরেছিলেন এবং সেই তথ্য ব্যবহার করে তাকে ব্ল্যাকমেইল করারও চেষ্টা করেছিলেন।
“একজন নেতার সামনে হয়ত আর কোনো পথ খোলা নেই। তার জায়নবাদী নিয়ন্ত্রকদের অমান্য করা মানে তার রাজনৈতিক জীবনের অবসান, এমনকি তার চেয়েও খারাপ কিছু।”
এফবিআইয়ের গোপন মানব সূত্র (সিএইচএস) প্রতিবেদন হিসেবে চিহ্নিত এ নথিতে ‘যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অভ্যন্তরীণ বা বিদেশিদের অসাধু প্রভাব’ সংক্রান্ত গোয়েন্দা তথ্য রয়েছে, তবে সূত্রটি ‘এর বাইরেও অনেক বিষয়ে’ বলেছে।
মার্কিন সরকার কুখ্যাত এ বিনিয়োগকারীকে নিয়ে তাদের তদন্তের লাখ লাখ নথি সম্প্রতি প্রকাশ করেছে, তাতে পুরনো কয়েকজনের পাশাপাশি আরও অনেক ধনকুবের, উদ্যোক্তা ও রাজনীতিকের নাম এসেছে।
ওই হ্যাকার আইওএস, ব্ল্যাকবেরি ডিভাইস এবং ফায়ারফক্স ব্রাউজারের দুর্বলতা খুঁজে বের করার কাজে বিশেষজ্ঞ ছিলেন।
আগে এপস্টেইনের উড়োজাহাজে ট্রাম্পের ভ্রমণের যে তথ্য পাওয়া গিয়েছিল তার চেয়েও অনেক বেশিবার তার এমন ভ্রমণের তথ্য বেরিয়ে এসেছে নতুন প্রকাশিত নথিতে।
মার্কিন কংগ্রেস এপস্টেইনের হাজারো মেইল প্রকাশ করার কয়েকদিন পর ডেমোক্র্যাট সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে দণ্ডিত ওই অর্থায়নকারীর সম্পর্ক খতিয়ে দেখতে ডনাল্ড ট্রাম্প অনুরোধ করার পর এ পদক্ষেপের ঘোষণা এল।