০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ভুক্তভোগী ওই ব্যক্তি বলেন, তাকে ত্রিপলিতে বদ্ধ ঘরে রেখে নির্যাতন করা হত। যারা নির্যাতন করতেন তারা সবাই বাঙালি।
যুদ্ধের মধ্যে কিইভে নিয়মিত ড্রোন বা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হলেও, এ ধরনের বন্দুক হামলার ঘটনা শহরটিতে বেশ বিরল।
গাজা যুদ্ধবিরতি চুক্তির প্রথম ধাপে সর্বশেষ বন্দি বা মরদেহ বিনিময়ের অংশ হিসাবে ইসরায়েল এই ফিলিস্তিনিদের লাশ ফেরত দিয়েছে। এ পদক্ষেপে যুদ্ধবিরতির ২য় ধাপ শুরুর আশা জেগে উঠেছে।
গাজায় যুদ্ধ বন্ধে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত শান্তি পরিকল্পনার প্রাথমিক ধাপের অন্যতম প্রধান শর্ত ছিল সব জিম্মিকে ফিরিয়ে দেওয়া।
কারাগারে আরও বেশি সুবিধা পেতে চাওয়া গ্যাং সদস্যরা এ ঘটনায় জড়িত বলে দাবি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো আন্তোনিও ভিলেদার।
ইসরায়েল বলছে, সব জিম্মির মৃতদেহ ফিরে পেলেই গাজায় মিশর সীমান্তবর্তী রাফা ক্রসিং খুলে দেওয়া হবে।
যুদ্ধবিরতি চলমান থাকলেও গাজার দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর খান ইউনিসের কাছে ইসরায়েলি ড্রোন হামলার দুই ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।
গাজায় ত্রাণ প্রবেশ বাড়াতে এবং রাফা ক্রসিং খুলে দিতেও তাগাদা দিয়েছে তারা।