৩০ জুন ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩
‘‘পোলাও চাল ছাড়া মেহমান আপ্যায়ন করা যায় না; চল হয়ে গেছে। অনেকে পোলাও খান না, তারপরও পাতে দিতে হয়।’’
‘‘বাজারে ভরপুর চাল আছে; ট্রাকে-ট্রাকে নিতে পারবেন। তারপরও দেশি ও ভারতীয় নাজিরশাইল চালের দাম বাড়ছে,” বলেন বিক্রেতা আলম মিয়া।
“কিন্তু যারা চাল উৎপাদন করেন তাদের আক্ষেপ আছে, তারা ন্যায্য মূল্যটা পাচ্ছে না। সে দিকটাও আমাদেরকে দেখতে হবে।”
“অর্থনীতির বহিঃখাতে স্থিতিশীলতার ইঙ্গিত রয়েছে। তবে দেশি বিনিয়োগ, রাজস্ব আহরণ ও উন্নয়ন ব্যয়ে ধীরগতি দেখা যাচ্ছে,” বলা হয় প্রতিবেদনে।
খাদ্য নিরাপত্তা নেটওয়ার্কের উদ্যোগে বিভিন্ন সংগঠন এ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করে।
“সবজি-মশলার এত কম দাম কয়েক বছর দেখিনি।”
খুচরা বিক্রেতাদের দাবি, মিল পর্যায়ে চালের দাম বেড়ে গেছে। আর মিল মালিকরা বলছেন, ধান কিনতে গিয়ে বেশি অর্থ গুনতে হচ্ছে তাদের।
“যদি মানুষকে আগের মতই বেশি দামে জিনিসপত্র কিনতে হয়, তাহলে এত সংস্কার আর বিপ্লবের দাম কী”, বলেন বেসরকারি চাকুরে আহসান হাবীব।