০৬ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
কৌঁসুলিরা অভিযোগের বিষয়ে স্পষ্ট কোনো মার্কিন যোগসূত্র না পাওয়ায় এবং অভিযোগগুলো টিকিয়ে রাখার জন্য পর্যাপ্ত প্রমাণ না থাকায় সিদ্ধান্ত আদানির পক্ষে চলে যায়।
তাদের বিরুদ্ধে নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রকল্পের জন্য ভারতীয় কর্মকর্তাদের ঘুষ দেওয়া এবং বন্ডের মাধ্যমে তহবিল গঠনের সময় ঘুষবিরোধী চর্চা নিয়ে মার্কিন বিনিয়োগকারীদের বিভ্রান্ত করার অভিযোগ ছিল।
এটা পরিষ্কার যে, ওপেনএআইয়ের আচরণ ভারতের ‘ডিজিটাল নিউজ পাবলিশার্স অ্যাসোসিয়েশন’ সদস্য ও অন্যান্য সংবাদমাধ্যমের ‘মূল্যবান কপিরাইটের জন্য বিপদ’ তৈরি করেছে।
আদানির বিরুদ্ধে ২৫ কোটি ডলার ঘুষ লেনদেনের ষড়যন্ত্র এবং বিনিয়োগকারীদের কাছে তথ্য গোপন করে যুক্তরাষ্ট্রের বাজার থেকে অর্থ সংগ্রহের চেষ্টার অভিযোগ আনা হয়েছে এ মামলায়।
২৫ কোটি ডলার ঘুষ লেনদেনের ষড়যন্ত্র এবং বিনিয়োগকারীদের কাছে তথ্য গোপন করে অর্থ সংগ্রহের চেষ্টার অভিযোগ আনা হয়েছে এ মামলায়।