০২ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩
রুবায়া কলটান খনিতে এ ধসের ঘটনা ঘটেছে। বিশ্বজুড়ে কলটানের সরবরাহের প্রায় ১৫ শতাংশই এ খনি থেকে যায়।
ধসে পড়ার সময় ডজনের বেশি লোক খনিটি থেকে বের হয়ে প্রাণে বাঁচতে পেরেছে, বলেছে দুটি সূত্র।
পাথরের নিচে এখনও ৮ জন চাপা পড়ে আছে বলে ধারণা কর্তৃপক্ষের।
পাথরের নিচে চাপা পড়া লোকজনকে উদ্ধারে অভিযান এখনও চলছে।
শনিবার রাতে সরল ইউনিয়নের কানুনগোরখিল গ্রামে জাহিদুলকে ছুরি মারা হয়।
পেশাদার শ্রমিকদের ফেলে যাওয়া খনিটি থেকে উন্মুক্ত পদ্ধতিতে সোনার টুকরো তুলতে অনেকেই সেখানে নেমেছিলেন, এরপরই ধসের ঘটনা ঘটে।
রেমালের প্রভাবে হওয়া ভারি বর্ষণের মধ্যে মঙ্গলবার মিজোরাম ছাড়াও নাগাল্যান্ডে চারজন, আসামে তিনজন এবং মেঘালয়াতে দুইজন মারা গেছেন।
ওই এলাকায় এখনও ‘ঘন বৃষ্টি এবং ভূমিধস হচ্ছে’ বিধায় উদ্ধার অভিযান ব্যাহত হওয়ার কথা জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।