২৪ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
আইন বাতিল হয়েছে, কিন্তু তার মাধ্যমে সৃষ্ট আর্থিক দায়, ব্যবসায়িক সুবিধা এবং বিতর্কিত চুক্তিগুলো বহাল রয়েছে।
বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহারে ছিল সংস্কারের অঙ্গীকার, অথচ ক্ষমতায় আসতেই শুরু হলো দাম বৃদ্ধির খড়্গ! ‘হাসিনাবিহীন হাসিনা ব্যবস্থা’ কি তবে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতেও জেঁকে বসছে?
বিশ্ববাজারের অজুহাত আর অভ্যন্তরীণ অব্যবস্থাপনার চাপে পিষ্ট সাধারণ মানুষ। যখন নীতিনির্ধারকরা একে ‘সামান্য’ মূল্যবৃদ্ধি বলে আখ্যা দেন, তখন প্রান্তিক মানুষের কান্না আড়ালেই থেকে যায়।
“সরকার নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ না বাড়ালে অতিরিক্ত সক্ষমতার যে সংকট, তা আরও গভীর হবে,” বলেন খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম।
সৌর বিদ্যুতের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম আমদানিতে সব ধরনের আমদানি শুল্ক কমানোর দাবি উঠেছে ‘বাংলাদেশ জ্বালানি সমৃদ্ধি ২০৫০’ শীর্ষক সম্মেলনে।
রোডম্যাপে জীবাশ্ম জ্বালানিভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনে নতুন বিনিয়োগ কমিয়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে।
“মানুষের বয়স যেমন বাড়ে বছর বছর বাজেটের আকারও তেমন বাড়ছে। তাই বাজেটের আকার বাড়ায় কৃতিত্ব নেই”, বলেন দলের সভাপতি হাসানুল হক ইনু।
অভিজাত এলাকাতে লোড শেডিং দিতে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রীকে নির্দেশনা দিয়েছেন বলেও সংসদে বলেন শেখ হাসিনা।